দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষের মহোৎসব!

দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষের মহোৎসব!

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহ সদর দলিল রেজিস্ট্রি অফিসসহ মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, কালীগঞ্জ, শৈলকুপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলা অফিসে অবাধে ঘুষ-দুর্নীতি চলছে। নকলনবিশ অ্যাসোসিয়েশন ও দলিল লেখক সমিতির কতিপয় ব্যক্তিসহ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিরা টার্গেট করে জেলার সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত টাকা-ঘুষ লেনদেনে বাধ্য করছেন।

ঝিনাইদহ জেলা সদরের সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। ঘুষ-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে ঝিনাইদহের সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। সরকারি এই কার্যালয়টি ঘুষ, অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে এমন পরিচিতিই ছড়িয়েছে জেলার সবখানে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, ‘ঝিনাইদহ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সহকারী জাকির হোসেন সকল অপকর্মের প্রধান হোতা। অত্র রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রত্যাশীদের নিকট থেকে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নিতে নানামুখী হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছেন।’

সূত্রের দাবি, সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু ঝিনাইদহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতি, সাব-রেজিষ্ট্রার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান এর বিপরীতে। ফলে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন। দলিল সম্পাদনের নামে দিনের পর দিন অসাধু দলিল লেখকদের যোগসাজশে মোটা অঙ্কের ঘুষের মাধ্যমে চলছে দলিল রেজিস্ট্রির কাজ। এখানে ঘুষ ছাড়া কোনো দলিল রেজিস্ট্রি করা যায় না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এটা এখন নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে। সাব-রেজিস্ট্রারের এজলাসে দেখা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রারের পাশে নকলনবিশ অ্যাসোসিয়েশন ও দলিল লেখক সমিতির নিয়োজিত কতিপয় ব্যক্তি রেজিস্ট্রির জন্য দলিলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। দলিল রেজিস্ট্রি করতে সরকার নির্ধারিত আয়কর ও ভ্যাটের টাকার ব্যাংক ড্রাফট দেয়ার পরও অতিরিক্ত ঘুষের টাকা দিতে হয়। দলিল লেখকের ফি, স্টাম্প খরচ, এন ফিসের টাকা বাদ দিয়ে বাকি টাকা সিন্ডিকেটের ঘুষ । দলিলের ফি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করলেও সেরেস্তা (অতিরিক্ত ফি) ছাড়া সাব-রেজিস্ট্রার কোনো দলিল রেজিস্ট্রি করেন না। ঘুষের এ টাকা ছাড়া জমির দলিল সম্পাদিত হয় না। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জমির বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এ টাকা সিন্ডিকেটের সমন্বয়ে ভাগ-ভাটোয়ারা করা হচ্ছে। এছাড়াও দলিলের নকল তুলতে গেলে সরকারি ফির দ্বিগুণ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়।

ভুক্তভোগীসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ঝিনাইদহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতির পেছনে রয়েছেন সাব-রেজিস্ট্রারসহ অফিসের অসাধু কর্মকর্তারা। তাদের যোগসাজশে প্রতিদিনই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা মানুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং দলিল লেখক সমিতির দ্বারা পরিচালিত একটি চক্র রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছে। অথচ ঝিনাইদহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দুর্নীতিমুক্ত এমন ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিভিন্ন দলিল লেখক ও সেবাগ্রহীতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা দলিল লেখক সমিতি এবং সাব-রেজিস্ট্রারের নামে সংগ্রহ করা হয়। সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা না দিলে তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়। সেবাপ্রার্থীরা সব সময়ই অসহায়। দলিলদাতা ও গ্রহীতাদের হয়রানি এবং অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করে থাকেন। দলিল লেখক সমিতির নামে সিন্ডিকেট গঠন করে এই টাকা আদায় করা হয় জমি ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,হেবা দলিলে মাত্র এক হাজার টাকা খরচ হলেও সেখানে আদায় করে ১০/১৫ হাজার টাকা। এমনিভাবে প্রতি মাসে কৃষকের রক্ত চুষে লাল হচ্ছে এই সিন্ডিকেট। বাড়ি, গাড়ি ও মাঠে জমি ক্রয় করে শহরবাসী এবং গ্রামবাসীকে রীতিমত তাক লাগিয়ে দিয়েছে এই সিন্ডিকেট। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সবাই জানে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ ছাড়া দলিল রেজিষ্ট্রি হয় না। জেলা আইনশৃঙখলা কমিটির মাসিক সভায় বহুবার সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কমিটির সম্মানিত সদস্যগন বক্তব্য রেখেছেন। তার পরও সবাই সব জেনেও নিরব! সবাই সব জেনেও কী করবে, তারা পারলে এর মধ্যে থেকে অনেকে কমিশন পাচ্ছে। শুধু সাধারণ জনগণের ক্ষতির খাতটা বাড়ছে। এতে তো কারো কোনো মাথা-ব্যথা নেই। ঝিনাইদহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার ফলে দলিল দাতা ও গ্রহীতারা এবং জনসাধারণ উৎকোচ প্রদানে বাধ্য হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় ও দুদকে অভিযোগ দাখিল হলেও ঘুষের টাকায় ৪ কোটির আলিশান বাড়ি বানিয়েছেন মহেশপুরের সাব রেজিস্ট্রার অফিসের ‘বড় বাবু’খ্যাত সাইদুর রহমান। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের প্রধান অফিস সহকারী (বড় বাবু) মো. সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক ঘুষ-দুর্নীতি এবং কোটি কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে মো. আব্দুল্লাহ আল সৈকত নামের এক ব্যক্তি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগ পত্র থেকে জানা যায়,সরকারি সামান্য বেতনের কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও মো. সাইদুর রহমান মহেশপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে যোগদানের পর থেকেই দলিল লেখক ও সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে ফাইল প্রতি নির্দিষ্ট হারে ঘুষ আদায় করে আসছেন। এই অবৈধ আয়ে তিনি ঝিনাইদহ পৌরসভার আরাপপুর এলাকার চাঁনপাড়া গ্রামে ৪ শতক জমির উপর মার্বেল পাথরের একটি বিলাসবহুল ২ তলা বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন, যার বর্তমান বাজার মূল্য ৪ কোটি টাকারও বেশি। এছাড়া নিজ গ্রাম ফলিয়াসহ ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্ত্রী ও সন্তানদের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ জমি ও সহায়-সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এবং বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা গোপন করে রেখেছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এর আগেও সাইদুর রহমানের লাগামহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই তিনি তার অবৈধ ক্ষমতা ও বিপুল কালো টাকার দাপটে পার পেয়ে যান এবং বহাল তবিয়তে দুর্নীতি চালিয়ে যান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী মো. আব্দুল্লাহ আল সৈকত বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও কালো টাকার মালিক হওয়ায় আমি নিজের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে বিস্তারিত পরিচয় গোপন রেখেছি। আমরা চাই এবার যেন কোনো তদবির কাজ না করে। তদন্ত করলেই উনার ৪ কোটির মার্বেল পাথরের বাড়ি ও ব্যাংক স্টেটমেন্টের সব সত্যতা বেরিয়ে আসবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিনাইদহ জেলা রেজিস্ট্রার সাব্বির আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে। অন্যদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত প্রধান অফিস সহকারী মো. সাইদুর রহমান বলেন, অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আমি ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই।

তবে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই লিখিত অভিযোগটি মন্ত্রণালয়, নিবন্ধন অধিদপ্তর ও দুদক কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর থেকেই অভিযুক্ত সাইদুর রহমান চরম আতঙ্কে রয়েছেন। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া ধামাচাপা দিতে তিনি ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন উচ্চপদস্থ মহল থেকে জোর তদবির শুরু করেছেন।

মহেশপুর উপজেলার ভুক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন, আইডি কার্ডের সঙ্গে জমির খরিদে বা দলিলে নামের বানান ভুল থাকলে সাব রেজিস্টারকে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হয়। দলিল প্রতি অফিস খরচ লাখে ১০০০ টাকা করে দিতে হয়। আর সপ্তাহে তিন দিন কার্যক্রম চলে রবি, সোম মঙ্গলবার। অফিসের সকল কিছু তদারকি করেন বড়বাবু সাইদুর রহমান।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে জেঁকে বসা সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়ম নিরসনের দাবি জানিয়েছেন কোটচাঁদপুর উপজেলার ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, ​ঘুষ ছাড়া হয় না দলিল। বর্তমানে কোটচাঁদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। বিশেষ করে শরিকানা জমির বন্টননামা না থাকলে প্রতি দলিলে অতিরিক্ত ৬ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়। এই টাকা না দিলে কোনোভাবেই জমির রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব হয় না বলে জানা গেছে । ​নির্ধারিত খরচের দ্বিগুণ আদায় করা হচ্ছে। ​সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির রেজিস্ট্রেশন খরচ ৬ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে থাকার কথা থাকলেও, কোটচাঁদপুর অফিসে সমিতির দোহাই দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ১১ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া আলাদাভাবে শতক প্রতি ৫০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়। এই অতিরিক্ত খরচের কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। অনেক ক্ষেত্রে জমির মূল দামের চেয়ে রেজিস্ট্রেশন খরচই বেশি হয়ে যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একাধিক সূত্র জানায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দলিল রেজিস্ট্রি হতে হলে সরকারের নির্ধারিত ফি এর পরিবর্তে রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃক নির্ধারিত অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়। অন্যথায় সেবা প্রত্যাশীদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়। একটি সাফ কবলা দলিল লাখে দেড় হাজার টাকা, পরবর্তী ১০ লাখ পর্যন্ত প্রতি লাখে ৫০০ টাকা, দশ লাখের ঊর্ধ্বে হলে প্রতি লাখে ৪০০ টাকা এবং দলিল মূল্য এক কোটির ঊর্ধ্বে হলে আলোচনার মাধ্যমে রেট ঠিক করা হয়। ওয়ারেশ সম্পত্তি হলে মাথাপ্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হচ্ছে।

দানপত্র, হেবাবিল, এওয়াজ বদল, বন্টননামা, না-দাবি দলিলসহ সকল প্রকার দলিল রেজিস্ট্রিতে তার রেট অনুযায়ী অর্থ দিতে না পারলে দলিল রেজিস্ট্রি হয় না। এ সকল দলিলের ক্ষেত্রে তিনি আট হাজার টাকা থেকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়া হচ্ছে। তবে দলিলে দাতা বা গ্রহীতা অথবা জমির কোন সমস্যা থাকলে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয়া হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে ঘুষের অর্থ আদায়ের জন্য তিনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়। হিন্দুরা জমি বিক্রয় করে ভারতে চলে যায় বলে তিনি হিন্দুদের জমি রেজিস্ট্রিতে প্রথমে অপারগতা প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দলিল লেখকের মাধ্যমে দাতা ও গ্রহীতাকে তার কামরায় ডেকে এনে একান্তে কথা হয়।পরে সীমান্ত এলাকায় হিন্দুদের জমি রেজিস্ট্রিতে কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মর্মে দাতাকে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে প্রতিটি হিন্দু জমি রেজিস্ট্রেশনে তিনি দুই লক্ষ থেকে দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করা হয়।এসবের নাটের গুরু সাব রেজিস্ট্রার রিপন মুন্সী । সাব রেজিস্ট্রার রিপন মুন্সী কমিশন দলির প্রতি সর্বনিন্ম এক থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকেন। নকল প্রতি ২শ’ টাকা ঘুষ নেন। এছাড়া দলিল লেখকদের লাইসেন্স নাবায়ন বাবদ মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে থাকেন। ঘুষের হাট বসিয়ে কালীগঞ্জে রাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন সাবরেজিস্ট্রার রিপন মুন্সী। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *