ঘুমন্ত পরিবারের ওপর নির্বিচারে গুলি : রক্তাক্ত ৪জন : আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২জন ঢাকায়

ঘুমন্ত পরিবারের ওপর নির্বিচারে গুলি : রক্তাক্ত ৪জন : আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২জন ঢাকায়

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট : খুলনার বটিয়াঘাটায় সাতসকালে এক নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের চার সদস্যকে গুলি করে পালিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার লবণচরা ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর শাহজালাল নগর রেলক্রসিং এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন— কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে গাজী রাইসুল ইসলাম এবং পুত্রবধূ ফাহিমা খাতুন। বর্তমানে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত রঞ্জুয়ারা বেগমের বুকে দুটি এবং পুত্রবধূ ফাহিমার পায়ে গুলি লেগেছে। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আনিসুর রহমানের ঘাড়ে তিনটি ও রাইসুলের পায়ে একটি গুলি লেগেছে। তারা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে ফাহিমা খাতুনের সাবেক স্বামী ইমরানের দীর্ঘদিনের প্রতিহিংসা। প্রায় আট মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় এবং সম্প্রতি ফাহিমা নতুন করে সংসার শুরু করায় ক্ষুব্ধ ছিল ইমরান। ফাহিমার দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছয়জন দুর্বৃত্ত তাদের ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, যাদের মধ্যে তার সাবেক স্বামীও ছিল।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। অপরাধীদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

ফাইল ফটো

আরো পড়ুন

৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠালো সরকার

মেজর ফজলে রাব্বীর তীক্ষ্ণ নজরে অস্ত্র চক্রের পতন : শংকরপুরে পিস্তলসহ ধরা খেল শাহাদৎ

এআই ভুয়া প্রোফাইল রুখতে ফেসবুকে নতুন চমক: সম্পূর্ণ ফ্রিতে মিলবে ভেরিফায়েড ব্যাজ!

এসএসসির ১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থীর অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে

মাউশির অধীনস্থ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা জারি

মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ

জনপ্রিয় ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড সহ ৩ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

র‍্যাবের ভালোবাসার উপহারে কাটছে ক্ষণিকের ক্ষুধা

ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নের শতভাগ নম্বর জমা হবে পরীক্ষার্থীদের খাতায়

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *