মেজর ফজলে রাব্বীর তীক্ষ্ণ নজরে অস্ত্র চক্রের পতন : শংকরপুরে পিস্তলসহ ধরা খেল শাহাদৎ

মেজর ফজলে রাব্বীর তীক্ষ্ণ নজরে অস্ত্র চক্রের পতন : শংকরপুরে পিস্তলসহ ধরা খেল শাহাদৎ

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোর শহরের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিধান ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের দমনে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছে র‌্যাব-৬, সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্প। ক্যাম্পের বিচক্ষণ কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বী প্রিন্সের সরাসরি ও নিখুঁত পরিচালনায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ ভাবে সীমান্ত পার হয়ে আসা বিদেশী পিস্তলসহ শাহাদৎ হোসেন (৪১) নামের এক কুখ্যাত অস্ত্র কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) রাত সোয়া ৮টার দিকে শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়া বারেক সড়ক এলাকায় কৌশলগত অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের নিখুঁত পর্যালোচনার পর মেজর ফজলে রাব্বী প্রিন্সের দূরদর্শী নেতৃত্বে একটি চৌকস দল শাহাদতের বাড়িতে ঘেরাও করে। র‍্যাবের তৎপরতা টের পেয়ে পালানোর সুযোগ পাওয়ার আগেই শাহাদৎকে তার নিজ গৃহ থেকে বাগে আনা হয়।

পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে বসতঘরের আঙিনায় উপুড় করে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যারেলের নিচে অত্যন্ত চতুরতার সাথে লুকিয়ে রাখা একটি মানসম্পন্ন বিদেশী পিস্তল জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত শাহাদৎ প্রাথমিক জবানবন্দিতে স্বীকার করেছে, উদ্ধারকৃত মারমুখী মারণাস্ত্রটি ভারত সীমান্ত পার করে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে এলাকাকে অশান্ত রাখার পাঁয়তারা এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকার জোরালো অভিযোগ রয়েছে শাহাদতের বিরুদ্ধে। এছাড়া শংকরপুর রেললাইনের পাশেই তার নিজস্ব একটি ওয়েল্ডিং কারখানা রয়েছে। ঐ কারখানাটিকে তিনি কেবল আড়াল হিসেবে ব্যবহার করতেন নাকি সেখানে গোপন অস্ত্র তৈরি বা মেরামতের সিন্ডিকেট চালাতেন—তা মেজর ফজলে রাব্বীর নির্দেশে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এলিট ফোর্স র‌্যাব।

শহরের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল শংকরপুর এলাকায় মেজর ফজলে রাব্বী প্রিন্সের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, বিচক্ষণতা এবং নির্ভীক নেতৃত্বের কারণে একটি বড় ধরনের সম্ভাব্য অপরাধ বা রক্তপাত এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর এই নিরবচ্ছিন্ন ও আপসহীন অভিযান শহরের বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ও নিরাপত্তার নতুন বিশ্বাস এনে দিয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে র‌্যাব-৬, সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, “অপরাধী যতই চতুর হোক না কেন, র‌্যাবের জিরো টলারেন্স নীতি থেকে কারো রেহাই নেই। আটক আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। একই সাথে এই অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার মূল হোতা এবং এর পেছনের রুট উন্মোচনে আমাদের গোয়েন্দা অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।”ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *