পান্তা ভোজ আর সাংস্কৃতিক ঝংকারে নতুন বছরকে বরণ

পান্তা ভোজ আর সাংস্কৃতিক ঝংকারে নতুন বছরকে বরণ

শহিদ জয় :

নতুন বাংলাদেশের সুখ, সমৃদ্ধি, শান্তি কামনা ও “নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান” স্লোগানকে সামনে রেখে নানা আয়োজনে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিনকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় যবিপ্রবির প্রধান ফটকের সামনে থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাংলা বর্ষবরণের কর্মসূচি শুরু হয়।
বর্ষবরণের কর্মসূচির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিকের সামনে দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন হয়ে যবিপ্রবির কড়ই তলার সামনে এসে শেষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন এর নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে যবিপ্রবির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কড়ই তলায় অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের অংশগ্রহণে যেমন খুশি তেমন সাজো। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে পান্তা-মাছসহ বাঙালি ভোজ করেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। এরপর বিকাল সাড়ে ৩ টায় উদ্যোক্তা মেলা ১৪৩৩ এর শুভ উদ্বোধন করেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। বিকাল সাড়ে ৫ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপি কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নতুন বছর আমাদের সকলের জন্য শুভ হোক। নতুন বছরের প্রত্যাশা সকল গ্লানি মুছে যাক, জরা ঘুচিয়ে নতুনভাবে প্রস্ফুটিত হোক এই কামনা করি।
পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজকের এই বৈশাখ উৎসবে অংশগ্রহণ করে প্রাণবন্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরপ্রধানগণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।ছবি-সংগৃহীত

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *