গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রী

গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পাশে সংস্কৃতি মন্ত্রী

জাকির হোসাইন তুষার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি:

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার শিক্ষা ও উদ্ভাবন খাতে নতুন এক গৌরবের সংযোজন করেছে গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং” প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

আগামী ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটি মহম্মদপুর উপজেলা ও মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম একটি রোবট এবং চালকবিহীন স্মার্ট গাড়ির মডেল, যা নিজেই পথ নির্ধারণ করে চলতে পারে। এসব উদ্ভাবন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্য ও জাতীয় পর্যায়ের প্রস্তুতিকে উৎসাহিত করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি নিজস্ব তহবিল থেকে ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। রোবটের উন্নয়ন, নতুন স্কুল ড্রেস, কেডস এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয়ের জন্য এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতিকালে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাদের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় পর্যায়েও গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে মহম্মদপুর ও মাগুরা জেলার মুখ উজ্জ্বল করবে।

স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা সংস্কৃতি মন্ত্রীর এই সহযোগিতাকে শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এমন পৃষ্ঠপোষকতা তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে যেতে আরও উৎসাহিত করবে। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *