স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের শার্শা থানা পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ প্রায় ৫০ হাজার টাকাসহ দুই জুয়াড়িকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে। তবে পুলিশের অতর্কিত উপস্থিতি টের পেয়ে আসর থেকে আরও দুই জুয়াড়ি সুকৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আজ শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) সকালে শার্শা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আটককৃত আসামিরা হলেন— শার্শা উপজেলার টেংরালী (দক্ষিণপাড়া) গ্রামের সমশের আলীর ছেলে সামাউল ইসলাম (৩৫) এবং একই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে সেলিম রহমান (৩৭)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার টেংরালী দক্ষিণপাড়া এলাকার বশিয়ার উদ্দিনের বসতবাড়িতে একদল লোক নিয়মিত জুয়ার আসর বসাচ্ছে— এমন একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানার একটি দল সেখানে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ঘরের ভেতর মাদুর পেতে তাস ও টাকা দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় সামাউল ও সেলিমকে হাতেনাতে জাপটে ধরে পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি দুই আসামি কৌশলে পেছনের দরজা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয় ও উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জুয়ার আসরটি তল্লাশি করে জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত ১টি মাদুর, ৫২ পিস তাস (এক সেট) এবং জুয়ার বোর্ডে থাকা নগদ ৪৯,৭৩০ (উনপঞ্চাশ হাজার সাতশত ত্রিশ) টাকা জব্দ তালিকাভুক্ত করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান “উপজেলায় সব ধরণের জুয়া ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান রয়েছে। জুয়া খেলার অপরাধে হাতেনাতে আটককৃত ২ জন এবং পলাতক অপর ২ আসামির বিরুদ্ধে শার্শা থানায় জুয়া আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা বাকি দুই আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছে।”ছবি সংগৃহীত।


