জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক চৌগাছায় গ্রেফতার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক চৌগাছায় গ্রেফতার

স্ফুলিঙ্গ  রিপোর্ট :

যশোরের চৌগাছা থানা পুলিশ এক বিশেষ ও ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার এজাহারনামীয় আসামি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষস্থানীয় এক নেতাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মো. আরিফুল ইসলাম (৩০)। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) উপজেলার একটি প্রত্যন্ত এলাকা থেকে চৌগাছা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে হাতেনাতে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া আরিফুল ইসলাম চৌগাছা উপজেলার গুয়াতলী গ্রামের মৃত মঈনুদ্দীন খানের ছেলে। তিনি ঢাকাস্থ ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির অন্যতম সহ-সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে সুনির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।

চৌগাছা থানা পুলিশ ও স্থানীয় বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন আগে চৌগাছা থানায় দায়েরকৃত একটি স্পর্শকাতর ও গুরুতর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জবি ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতের পক্ষ থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে মূলত দেশের প্রচলিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩)’ এর বিভিন্ন গুরুতর ও অ-জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গতকাল তাঁর নিজ এলাকায় অবস্থানের গোপন ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই চৌগাছা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল গুয়াতলী গ্রামসহ আশেপাশের এলাকায় ঘেরাও করে এক ঝটিকা অভিযান চালায় এবং তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রেফতারের বিষয়ে চৌগাছা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমকে সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ধৃত আসামি মো. আরিফুল ইসলামকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কঠোর পুলিশি পাহারায় যশোর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার আইনি প্রস্তুতি জোরদারভাবে চলছিল। এর পাশাপাশি থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, বর্তমানে চৌগাছা উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে। এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড রুখে দিতে এবং অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমন করতে পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত টহল রাজপথে দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *