কড়া পুলিশি পাহারায় আদালতে সাবেক কাউন্সিলর ‘টাক মিলন’

কড়া পুলিশি পাহারায় আদালতে সাবেক কাউন্সিলর ‘টাক মিলন’

স্ফুলিঙ্গ  রিপোর্ট :

যশোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক দাপুটে কাউন্সিলর ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মো. জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে টাক মিলনকে অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তা ও নিশ্ছিদ্র পুলিশি পাহারার মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৯টা ৩১ মিনিটে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে তাঁকে যশোরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয়। সাবেক এই কাউন্সিলরের হাজিরাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই আদালত চত্বর ও এর আশপাশের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে সশস্ত্র পুলিশ ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও বিশেষ নিরাপত্তা বলয় মোতায়েন ছিল।

আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট আইনি সূত্র জানায়, মো. জাহিদ হোসেন মিলন যশোর শহরের অত্যন্ত ব্যস্ততম পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার শেখ রুস্তম আলীর ছেলে। তিনি যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত চাঞ্চল্যকর মামলা নং-৪৯, জিআর-৯৫৪/২৫-এর অন্যতম প্রধান এজাহারনামীয় আসামি। মামলাটি গত ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর দেশের একটি ক্রান্তিলগ্নে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দায়ের করা হয়েছিল। সাবেক এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪-এর ১৫(৩) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১৪৩ (বেআইনি জনতা) ও ৪uses (অগ্নিসংযোগ বা সম্পত্তির ক্ষতিসাধন) ধারায় মারাত্মক সব রাষ্ট্রবিরোধী ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ রয়েছে।

আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কারারক্ষী ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি বিশেষ সশস্ত্র টিম মিলনকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে সরাসরি আদালতের কাঠগড়ায় হাজির করে। আদালতের নিয়মিত কার্যসূচি অনুযায়ী মামলার শুনানি ও আইনি হাজিরা পর্ব সম্পন্ন করা হয়। মিলনের পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করার জোর প্রস্তুতি নিলেও বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতি ও মামলার ধারার গুরুত্ব বিবেচনা করে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেননি। আদালতের হাজিরা ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ১২টার আগেই তাঁকে পুনরায় কঠোর পুলিশি বেষ্টনীতে প্রিজন ভ্যানে তুলে সরাসরি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে আদালত সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।ফাইল ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *