মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :
মাগুরা জেলার মহম্মদপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর নোংরা পরিবেশ, অপরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড এবং চরম অব্যবস্থাপনার কারণে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মেঝেতে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে রয়েছে, টয়লেটগুলো দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পড়েছে।
রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা না থাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক রোগীকে নোংরা বেডে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অবহেলার কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা বর্জ্য ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
একজন রোগীর স্বজন বলেন, “হাসপাতালের পরিবেশ এতটাই নোংরা যে রোগ সারাতে এসে উল্টো নতুন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।”
স্বজনরা জানান, হাসপাতালে সেবার মান অত্যন্ত নিম্নমানের। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সরঞ্জামের সংকটের পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতিও অনেক সময় পর্যাপ্ত থাকে না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক রোগী চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়ন, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং রোগীদের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এবিষয়ে জানতে চাইলে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান সাংবাদিকদের জানান, আমাদের পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা কর্মী না থাকায় এই পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের বিপরীতে আমাদের প্রতিনিয়ত একশ থেকে দেড়শ রুগী ভর্তি থাকে। সামান্য জনবলের বিপরীতে এত রোগীর চাপ সামলাতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ছবি প্রতিবেদক।
