আগামীকাল শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আগামীকাল শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

স্ফুলিঙ্গ  রিপোর্ট :

শিশুর অন্ধত্ব রোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আগামীকাল রোববার দেশব্যাপী একযোগে শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোর জেলার ৮টি উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৬৪ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর চুরান্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামীকাল সকাল ৯টায় যশোর উপশহর শিশু হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হবে।

যশোর জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সকাল থেকে একযোগে শুরু হওয়া এই পুষ্টি কর্মসূচি সম্পূর্ণ সফল ও বাস্তবায়ন করতে জেলার মোট ২ হাজার ৩০১টি স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে ৫ হাজার ২১৭ জন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বয়সভেদে শিশুদের দুটি আলাদা রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪৪ হাজার ৬১২ জন শিশুকে একটি করে ‘নীল’ রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৯ হাজার ৬৫২ জন শিশুকে একটি করে ‘লাল’ রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা যশোর জেলার সকল সচেতন অভিভাবকদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভিটামিন ‘এ’ শিশুর চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এবং শিশুর স্বাভাবিক বাড়ন্ত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই একটি শিশুও যেন এই সরকারি সুবিধা থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে সকাল থেকেই নিকটস্থ নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে নিজ নিজ শিশুদের নিয়ে এসে সম্পূর্ণ খালি পেটে না রেখে এই ক্যাপসুলটি খাওয়ানোর অনুরোধ রইল।”

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানিয়েছে, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং ক্যাম্পেইনটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে বিশেষ কন্ট্রোল রুম এবং কুইক রেসপন্স মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দূরপাল্লার যানবাহন বা ভ্রমণের পথে থাকা শিশুদের জন্য বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশনসহ প্রধান প্রধান মোড়েও ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *