স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সোমবার অনুষ্ঠিত চলতি বছরের এইচএসসি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষায় বিভিন্ন কেন্দ্রে সর্বমোট ১ হাজার ১৭৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে হলে অসদুপায় বা নকল অবলম্বনের দায়ে খুলনা অঞ্চলের একটি কেন্দ্র থেকে একজন পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) বিকেলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী সংবাদমাধ্যমকে এই নিশ্চিত পরিসংখ্যান ও তথ্য প্রদান করেছেন।
বোর্ড ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার মোট ৩টি বিষয়ের মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হয়। এই ৩টি বিষয়ে বোর্ডের আওতায় থাকা জেলাগুলোর বিভিন্ন কেন্দ্রে সর্বমোট ৩৭ হাজার ৬৬৯ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে সকাল ও বিকালের সেশন মিলিয়ে চূড়ান্তভাবে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৩৬ হাজার ৪৯০ জন শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে ১ হাজার ১৭৯ জন পরীক্ষার্থী আজ পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয় আরও জানায়, পরীক্ষা শতভাগ সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করতে বোর্ডের বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে সচেষ্ট ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে খুলনার পাবলা কেন্দ্রে নিয়মবহির্ভূতভাবে অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে। ফলশ্রুতিতে পরীক্ষা হলের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ওই কেন্দ্রের কর্তব্যরত কর্মকর্তা একজন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করেন।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “বহিষ্কারের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পুরো যশোর বোর্ডের অধীনে থাকা সকল জেলা ও কেন্দ্রে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, চমৎকার ও কঠোর শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে সোমবারের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ সাধারণত ফরম পূরণ করার পরও বিভিন্ন ব্যক্তিগত কারণে বা ড্রপআউটের কারণে পরীক্ষায় অংশ নেয় না। আগামী পরীক্ষাগুলোও যাতে এমন সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে শেষ করা যায়, সেজন্য আমাদের বোর্ডের তদারকি টিম এবং কেন্দ্র সচিবরা মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।”

