স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের ঝিকরগাছায় ২০ বছর বয়সী গৃহবধূ সাবিহা ইয়াসমিন রিমুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে গভীর রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকার দাবি করে এটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে সন্দেহ করছে তার পরিবার। আজ বুধবার (১০ জুন) প্রেসক্লাব যশোরে এক আবেগঘন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রিমুর শোকাহত পিতা মো. শফিকুল ইসলাম প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঝিকরগাছার রায়পটন গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শিহাব শাহরিয়ার রিয়াদের সাথে রিমুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে রিমুর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। গত ৩ জুন হঠাৎ শ্বশুরবাড়ি থেকে রিমুর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয় এবং বলা হয় সে সিলিং ফ্যানের সাথে গামছা দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।
তবে রিমুর বাবা মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ তুলে বলেন, “আমার মেয়ের ওজন প্রায় ৭০ কেজি। একটি ফ্যানের একটা মাত্র পাখায় ঝুলে থাকলে পাখাটি অক্ষত থাকার বিষয়টি অসম্ভব। এছাড়া আমরা মেয়ের পিঠ, কোমর, উরু ও ডান পায়ের তলায় আঘাতের চিহ্ন ও রক্ত জমাট বাঁধার দাগ দেখেছি।” তিনি কারও বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা না চেয়ে, শুধু প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে ঘটনার একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ময়নাতদন্ত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।ছবি সংগৃহীত।

