শেখহাটি তরফ-নওয়াপাড়ার বাপ্পীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১৩০ পিস ইয়াবা জব্দ

শেখহাটি তরফ-নওয়াপাড়ার বাপ্পীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ১৩০ পিস ইয়াবা জব্দ

স্ফুলিঙ্গ  রিপোর্ট :

যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত রবিবার রাত থেকে সোমবার (১৫ জুন) বিকেল পর্যন্ত যশোর শহরতলী ও বাঘারপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও নাশকতা মামলার আসামীও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শেখহাটি ও রামনগরে ডিবি পুলিশের অভিযান

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডিবি’র এসআই হাদীউজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল শহরতলীর শেখহাটি তরফ নওয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ বাপ্পী শেখ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক বাপ্পী মৃত নারায়ণ চন্দ্র সাহার ছেলে। পুলিশের দাবি, বাপ্পী একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং ইতিপূর্বেও তাঁর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় দুটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এর আগে, একই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে যশোর সদর উপজেলার রামনগর আমতলার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মঞ্জুর ইসলাম (২৪) নামে এক যুবককে আটক করে ডিবি। তিনি মণিরামপুর উপজেলার নওয়াপাড়া রোড এলাকার মনু মিয়ার ছেলে।

বাঘারপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান

এদিকে, সোমবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে বাঘারপাড়া থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই পলাশ মিয়া ও এএসআই দিদারুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই গ্রামের মৃত শফিয়ার গাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁর ছেলে কাওসার গাজীকে (৪৪) আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।

বাঘারপাড়া থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কাওসার গাজী ডিএসবি’র তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে মামলা রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পৃথক এই তিনটি ঘটনায় উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতে জেলায় এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *