স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরে সুস্থ সাংবাদিকতার পরিবেশ কলুষিত করতে মাঠে নেমেছে একটি সংঘবদ্ধ ‘ব্ল্যাকমেইলার চক্র’। শহরের প্রথম সারির এক ডজন পেশাদার সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার পর, এখন নিজেদের পিঠ বাঁচাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নাম ও ছবি ব্যবহার করে নির্লজ্জ মিথ্যাচার শুরু করেছে চক্রটি।
বেশ কিছুদিন ধরে ‘যশোরের মিডিয়া কোরপশন’ নামক একটি বেনামী ফেসবুক পেজ থেকে যশোরের প্রতিষ্ঠিত ১০-১২ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও বানোয়াট ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। এই চক্রটি সাংবাদিকদের সামাজিকভাবে হেয় করতে অত্যন্ত নিচুতলার শব্দ ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে ভিডিওগুলো তৈরি করে।
সাংবাদিকরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পর পুলিশ সক্রিয় হতেই ভোল পাল্টেছে ওই চক্র। তারা পেজ থেকে ভিডিওগুলো সরিয়ে এখন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ছবি দিয়ে একটি ভুয়া ‘নোটিস’ পোস্ট করেছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে—প্রতিমন্ত্রী নাকি তাদের আশ্বাস দিয়েছেন এবং তাঁর সম্মানে তারা পোস্টগুলো সাময়িকভাবে সরিয়ে রেখেছে! মূলত প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচতে এবং সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের বৈধতা দিতেই প্রতিমন্ত্রীর মতো একজন সম্মানীয় ব্যক্তির নাম ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে এই অপরাধী চক্র।
পেশাদার সাংবাদিকদের নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার এবং প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় যশোরের সংবাদকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, এই ‘ব্ল্যাকমেইলার চক্র’ চিহ্নিত। এদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে যশোরের সংবাদিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে।
প্রশাসন ইতিমধ্যে বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট পেজের পেছনের কুশীলবদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ছবি সংগৃহীত। ছবি সংগৃহীত।

