স্ফুলিঙ্গ প্রতিবেদক :মানুষের জীবন কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তার এক জীবন্ত উদাহরণ হাফেজ নুরুজ্জামান। বয়স মাত্র ১৬, যে বয়সে রঙিন স্বপ্নে বিভোর থাকার কথা, সেই বয়সে এক মরণব্যাধি তাকে নিয়ে গেছে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অর্থাভাবে আজ থমকে গেছে তার চিকিৎসা, আর তিলে তিলে নিভে যাচ্ছে একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ। যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা গ্রামের দিনমজুর আখতারুজ্জামানের ছেলে নুরুজ্জামান ছোটবেলা থেকেই ছিল অত্যন্ত মেধাবী। অভাবের সংসারে হাফেজ হয়ে পরিবারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখেছিল সে, কিন্তু গত তিন বছর ধরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে আছে এই কিশোর। বর্তমানে তারা যশোর শহরের শেখহাটি তরফ-নওয়াপাড়া গ্রামে বসবাস করছে।
নুরুজ্জামানের বাবা আখতারুজ্জামান পেশায় একজন সাধারণ দিনমজুর। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পরের জমিতে কাজ করে যা পেতেন, তা দিয়ে কোনোমতে চলত সংসার। ছেলের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ইতোমধ্যে ভিটেমাটি যা ছিল সবটুকু বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি। এখন আর একবেলা খাবার জোগাড় করার সামর্থ্যও তার অবশিষ্ট নেই, সেখানে লাখ টাকার চিকিৎসা ব্যয় মেটানো এক প্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। নুরুজ্জামানের আকুল আর্তনাদে আজ আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠলেও টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছে না অসহায় পরিবারটি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পেলে নুরুজ্জামান আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে, কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের একটু সহমর্মিতা।
একজন হাফেজে কুরআনের জীবন বাঁচাতে আমরা কি পারি না একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে? আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই পারে নুরুজ্জামানকে যমদূতের হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে নুরুজ্জামানের বাবা করুণ স্বরে শুধু এটুকুই বলছেন— “আমার ছেলেটা বাঁচতে চায়, ও আবার কুরআন তিলাওয়াত করতে চায়। আপনাদের একটু সাহায্য কি ওকে সুস্থ করে দেবে না?” নুরুজ্জামানকে সাহায্য করতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন তার বাবার সাথে। বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৯২৫-৫৪৮৪২১ (নুরুজ্জামানের বাবা) অথবা নুরুজ্জামানের মা’র ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার নম্বর: ০১৪৫১৮১০০০০০৭৪১-প্রাইম ব্যাংক,যশোর শাখা। একটি প্রাণ বাঁচাতে আপনার সামান্য দান হতে পারে নুরুজ্জামানের নতুন জীবনের আলো। আসুন, আমরা যে যার সাধ্যমতো এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াই।

