স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’-এর জমকালো সমাপনী এবং শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই ২০২৬) মেলার শেষ দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেলার প্রদর্শনী স্টলগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং পরবর্তীতে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু ও অংশগ্রহণকারী নার্সারি মালিকদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন।
সমাপনী দিনে মেলার প্রদর্শনী প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন প্রধান অতিথিসহ আগত অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা। তাঁরা বিভিন্ন স্টলে থাকা নানা প্রজাতির দেশি-বিদেশি, ফলদ, বনজ ও ভেষজ চারার সমাহার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং চারা বিক্রির সার্বিক খোঁজখবর নেন।
পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে মেলা উপলক্ষে কোমলমতি শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। সমাপনী পর্বে এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মেলায় সফলভাবে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দুর্লভ ও উন্নত জাতের গাছের চারা প্রদর্শন এবং সাধারণ মানুষকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করার স্বীকৃতিস্বরূপ অংশগ্রহণকারী নার্সারি মালিক ও স্টল উদ্যোক্তাদের বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ আশেক হাসান,পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু সহ স্থানীয় জেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনীতিক, পরিবেশকর্মী এবং বহু দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও অন্যান্য বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ-সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বৃক্ষমেলা শেষ হলেও নিজ নিজ বসতবাড়ি ও ফাঁকা জায়গায় গাছ লাগানোর এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা। ছবি সংগৃহীত।

