যশোর বোর্ডে শান্তিপূর্ণভাবে পার হলো সাত বিষয়ের পরীক্ষা

যশোর বোর্ডে শান্তিপূর্ণভাবে পার হলো সাত বিষয়ের পরীক্ষা

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার সাতটি বিষয়ের পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। তবে পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ হলেও দিনজুড়ে কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির একটি বড় চিত্র ফুটে উঠেছে। পুরো বোর্ডের অধীনে একই দিনে মোট এক হাজার একশত ছাপ্পান্ন জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। এছাড়া পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঝিনাইদহের একটি কেন্দ্র থেকে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দিনের প্রথমভাগে সকালে অনুষ্ঠিত হয় মনোবিজ্ঞান প্রথম পত্র, কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, মৃত্তিকা বিজ্ঞান প্রথম পত্র, চারু ও কারুকলা প্রথম পত্র এবং নাট্যকলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। সকালের এই পাঁচ বিষয়ের পরীক্ষায় মোট একত্রিশ হাজার ছয়শত ছত্রিশ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হন ত্রিশ হাজার ৫১৯ জন এবং অনুপস্থিত থাকেন এক হাজার একশত সতেরো জন পরীক্ষার্থী। সকালের পরীক্ষা চলাকালে ঝিনাইদহের ৩৩১ নম্বর কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বন করার বিষয়টি পরিদর্শকদের চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে ওই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

অন্যদিকে, দুপুরের পর বিকেলে দুটি বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো পরিসংখ্যান প্রথম পত্র এবং ব্যবহারিক শিল্পকলা ও বস্ত্র পরিচ্ছদ প্রথম পত্র। বিকেলের এই দুটি বিষয়ে মোট এক হাজার একশত ৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিবন্ধিত থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নেন এক হাজার একশত ৪০ জন। এই পর্বে অনুপস্থিত ছিলেন ৩৯ জন পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষা চলাকালীন ১০ জেলার কেন্দ্রভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সকালের পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিতি ছিল ঝিনাইদহে ২১১ জন এবং সাতক্ষীরায় ২০৩ জন। এছাড়া খুলনায় ১৫৯, যশোরে ১৫৫, চুয়াডাঙ্গায় ১০২, কুষ্টিয়ায় ৮৮, নড়াইলে ৭৪, বাগেরহাটে ৪৬, মাগুরায় ৪৫ এবং মেহেরপুরে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

বিকেলের পরীক্ষাতেও বিভিন্ন জেলায় কমবেশি অনুপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। বিকেলে সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিতি ছিল যশোর জেলায় ৯ জন। এছাড়া খুলনায় ৫, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও মাগুরায় ৪ জন করে, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় ৩ জন করে, সাতক্ষীরায় ২ এবং নড়াইলে ১ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন।

সারা দিনের পরীক্ষা পরিস্থিতি ও উপস্থিতির এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. হোসেন আলী। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *