স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
মামলার অভিযোগে জানা গেছে,সেলিনা খাতুনের নাবালিকা মেয়ে সামিয়া আফরুজ মানসিক বিকারগ্রস্থ । সে তার বড় বোন এবং দুলাভাইয়ের সাথে পারিবারিক গোলযোগ করে দুলাভাই ডাক্তার রাফসান জানীর এবং বড় বোনকে জব্দ করার জন্য মোবাইল ফোনে কিছু মিথ্যা তথ্য ছড়ায়। এ ঘটনাকে পুঁজি করে যশোর ও মণিরামপুরের কিছু কথিত সাংবাদিক তার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করে তাকে নানাভাবে ফুঁসলায়। সেতু ও নাহিদ ডাক্তার রাফসান জানীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অডিও রেকর্ড ও মেসেজ দিয়ে তার মেয়েকে প্ররোচনার মাধ্যমে ১৬ মার্চ সকালে মণিরামপুরে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এরপর জাকির হোসেন তার মেয়েকে ৪ ঘণ্টা থানার পাশে তহিদুলের বাড়িতে রেখে দেয়। দুপুরে জাকির হোসেন, সুমন চক্রবর্তী এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন থানার স্টাফ রুমে বসিয়ে রাখে। তার মেয়ে থানা থেকে চলে যেতে চাইলে ওসি তার নিরাপত্তার কথা বলে সাংবাদিকদের যোগসাজশে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে থানায় দুইরাত বেআইনিভাবে রেখে দেয়। ১৭ মার্চ দুপুরে তহিদুল ইসলাম ও জাকির হোসেন তার (বাদি) জামাইয়ের নামে মিথ্যা তথ্য বর্ণনায় মামলা লিখে তার মেয়ের কাছ থেকে স্বাক্ষর করে নেয়। ইতিমধ্যে তার স্বামী সাজেদুর রহমান মস্তিষ্ক বিকারগ্রস্থ মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে মর্মে ১৬ মার্চ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় জিডি করেন। ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় তরুণীর মা, বাবা মেয়েকে খুঁজতে মণিরামপুর থানায় গেলে সামিয়া আফরুজ নেই বলে জানায়। তার মেয়েকে থানায় ৪৯ ঘণ্টা বেআইনি আটক রেখে সন্ধ্যা থেকে রাত একটা পর্যন্ত বাদীর জামাই ডাক্তার রাফসান জানীর কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে দেড় লাখ টাকা দাবি করে। একের পর এক মিথ্যা তথ্য, মুক্তিপণ ও নিখোঁজ মেয়ের ব্যাপারে দিশেহারা হয়ে তিনি,মেয়ের বাবা, বোন ও বোনজামাই ১৮ মার্চ দুপুর ১২ টায় প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলন হওয়ার পর বিকেলে বাদীর নাবালিকা মেয়েকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর তিনি তার মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে ডাক্তার রাফসান জানীর কাছ থেকে অবৈধ পন্থায় মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের জন্য কু-রুচিশীল বর্ণনা সংবলিত মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা লিখে স্বাক্ষর করে নেয়। এরপর মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে সাংবাদিকরা এবং ওসি তার (বাদীর) মেয়ের স্বাক্ষরে মিথ্যা মামলা করে বলে জানায় সেলিনা খাতুন।ফাইল ছবি


