একই রাতে ৫ দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি !

একই রাতে ৫ দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি !

রফিক মন্ডল, কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) থেকে :
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর মেইন বাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। পুলিশ ও নৈশপ্রহরীদের দায়িত্বহীনতার সুযোগ নিয়ে এক রাতে বাজারের অন্তত পাঁচটি দোকানের তালা ভেঙে নগদ অর্থ লুটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ একটি চোর চক্র এই দুঃসাহসিক চুরির তাণ্ডব চালায়।

শহরের প্রাণকেন্দ্রে পৌর পুলিশ ফাঁড়ির টহল এবং নাইট গার্ডদের পাহারা থাকার কথা থাকলেও একযোগে পাঁচটি দোকানে চুরির ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রশাসনের চরম অবহেলা এবং নৈশপ্রহরীদের গাফিলতির কারণেই চোর চক্র এত বড় ঘটনা ঘটানোর সাহস পেয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মেইন বাজারের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার থাকলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটত না।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টিমুখর রাতের সুযোগ নিয়ে চোরেরা পর পর পাঁচটি দোকানের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী রাজ্জাক সু-স্টোর  থেকে নগদ ২৭ হাজার টাকা,শাহিন গার্মেন্টস থেকে ১৭ থেকে ২০ হাজার টাকা,শামীম কসমেটিকস থেকে ৭ হাজার টাকা,জুয়েল বস্ত্রালয় থেকে৭ হাজার টাকা খোয়া গেছে এবং লিটন কসমেটিকস দোকান থেকে খোয়া যাওয়া অর্থের সঠিক পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

বস্ত্র ও দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আনারুল ইসলাম সেন্টু জানান, রাত ৮টার পর ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরলে বৃষ্টির সুযোগ নেয় চোর চক্রটি। তিনি আরও জানান, চুরির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম অস্থিরতা। তাদের প্রশ্ন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পরবর্তী তদন্তের চেয়ে ঘটনার সময় কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা কেন নেই? পুলিশের নিয়মিত নজরদারি ও নৈশপ্রহরীদের কড়া পাহারার অভাবেই এমন ঘটনা ঘটছে বলে তারা মনে করেন। ব্যবসায়ীরা অতি দ্রুত চোরদের গ্রেফতার এবং বাজারে স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর সনাক্তের চেষ্টা চলছে। এবং দ্রুত কার্যকর ব্যবস্হা নেওয়া হবে । প্রতীকী-ছবি ।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *