স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরসহ মণিরামপুর ও অভয়নগর এলাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে একটি চক্রের বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মানহানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সামিয়া আফরুজ শান্তি লিখিতভাবে এসব অভিযোগ তুলে ধরে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ব্যক্তিগত ছবি ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর একটি চক্র তার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে এবং তার সরলতার সুযোগ নেয়। পরবর্তীতে ওই চক্র তার আত্মীয় রাফসান নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, চক্রটি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাকে দিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করায় এবং বিভিন্ন ভিডিও বক্তব্য দিতে চাপ দেয়। এমনকি তাকে বিভ্রান্ত করে যশোরে এনে মণিরামপুর থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় তাকে কয়েকদিন থানায় আটকে রাখা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীর দাবি, তার অজান্তে ও অসম্মতিতে কিছু বক্তব্য লিখে মামলা করা হয় এবং পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে সেফ হোমে পাঠানো হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর তিনি পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চক্রটি তার ও তার আত্মীয়কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে মানহানি করেছে। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সামিয়া আফরুজ শান্তি।


