স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আলোচিত ছাত্রী জেসমিন আক্তার পিংকি হত্যা মামলায় প্রেমিক আহসান কবির অঙ্কুরকে এককভাবে অভিযুক্ত করে আদালতে পুনঃচার্জশিট জমা দিয়েছে সিআইডি পুলিশ। প্রমাণ না পাওয়ায় মামলায় আগে অভিযুক্ত অঙ্কুরের বাবা, মা ও ভাইকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যশোর থেকে বাড়ি ফেরার কথা বলে নিখোঁজ হয় পলিটেকনিকের ছাত্রী পিংকি। নিখোঁজের ৯ দিন পর (১১ ফেব্রুয়ারি) শার্শার বুরুজবাগান এলাকায় প্রেমিক অঙ্কুরের বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে পিংকির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর পিংকির ভাই আনিছুর রহমান বাদী হয়ে অঙ্কুরসহ তার মা-বাবা ও ভাইকে আসামি করে মামলা করেন। থানা পুলিশ প্রথমবার শুধু প্রেমিক অঙ্কুরকে অভিযুক্ত করে বাকিদের নাম বাদ দিলে বাদী আদালতে নারাজি আবেদন জানান। পরবর্তীতে আদালত সিআইডিকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।
অঙ্কুর ও পিংকি একই ক্লাসে পড়ার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়েও পাকা ছিল। তবে পিংকি অন্য ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে— এমন সন্দেহে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন (২ ফেব্রুয়ারি) পিংকি সাতক্ষীরা যাওয়ার পথে অঙ্কুরের সাথে দেখা করতে গেলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে অঙ্কুর পিংকির গলা চেপে ধরে এবং দড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশটি বস্তায় ভরে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়।
প্রযুক্তির মাধ্যমে পিংকির মোবাইল উদ্ধার এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে সিআইডি পরিদর্শক সুব্রত কুমার পাল অঙ্কুরকে এককভাবে দায়ী করে এই পুনঃচার্জশিট দাখিল করেন। ছবি সংগৃহীত।


