নাভারণের চেয়ারম্যান পদে নজরুলকে চায় সাধারণ মানুষ

নাভারণের চেয়ারম্যান পদে নজরুলকে চায় সাধারণ মানুষ

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৭ নং নাভারণ ইউনিয়নে পুরোদমে আগাম নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এলাকার হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন একটাই গুঞ্জন—কে হচ্ছেন নাভারণ ইউনিয়নের আগামী দিনের কর্ণধার? এই নির্বাচনী জল্পনা-কল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং সাধারণ মানুষের আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন নাভারণ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম।

স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নজরুল ইসলাম এলাকায় একজন অত্যন্ত পরোপকারী, মার্জিত ও মানবিক গুণসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সুদীর্ঘ সময় ধরে তিনি এলাকার নানা সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সুদৃঢ় সাংগঠনিক দক্ষতা ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তির কারণে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, তিনি নির্বাচিত হলে নাভারণ ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত ও সুষম উন্নয়ন চাহিদা বাস্তবায়নে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

নির্বাচনী প্রচার ও নিজের লক্ষ্যের বিষয়ে মো. নজরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন,“আমি ছাত্রজীবন থেকেই দল ও অবহেলিত জনগণের কল্যাণে রাজপথে কাজ করে আসছি। শোষিত ও সাধারণ মানুষের সেবা করাই আমার জীবনের মূল লক্ষ্য। নাভারণ ইউনিয়নের সম্মানিত জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তবে আমি একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, আধুনিক ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে একটি মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। আমি আমৃত্যু নাভারণবাসীর কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে চাই এবং এ জন্য আমি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।”

এলাকার বেশ কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও উদীয়মান তরুণ ভোটারদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, ৭ নং নাভারণ ইউনিয়নকে একটি সম্পূর্ণ মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত এবং শিক্ষাবান্ধব ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নজরুল ইসলামের মতো একজন শিক্ষিত, ভদ্র ও সর্বজনগ্রাহ্য মানুষকে চেয়ারম্যান হিসেবে সময়ের দাবি। তৃণমূলের সাধারণ মানুষের যেকোনো সুখে-দুঃখে তিনি যেভাবে নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে আসেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *