ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন জাহিদ হাসান টুকুন

ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন জাহিদ হাসান টুকুন

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জনাব জাহিদ হাসান টুকুনের শারীরিক অবস্থার আশাব্যঞ্জক ও ইতিবাচক উন্নতি হয়েছে। ঢাকার নামী হাসপাতালে তাঁর হার্টে সফল বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) তাঁর পারিবারিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ স্বাস্থ্যগত আপডেটে এই স্বস্তিদায়ক তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ‘ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল এন্ড রিসার্চ সেন্টার’-এ জনাব জাহিদ হাসান টুকুনের হার্টে একটি অত্যন্ত জটিল ও সফল বাইপাস সার্জারি (অস্ত্রোপচার) সম্পন্ন হয়। অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সময়ে উন্নত চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আজ সকালে জনাব জাহিদ হাসান টুকুনের একমাত্র সুযোগ্য পুত্র সামিনসহ পরিবারের সদস্যরা আইসিইউতে তাঁর সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। সামিন জানান, মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় এবং সকলের দোয়ায় তাঁর বাবা এখন অনেকটাই আশঙ্কামুক্ত এবং ভালো আছেন। তিনি আজ আইসিইউর বেডে নিজ থেকেই উঠে বসেছেন এবং অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে নিজ হাতে ফলমূল আহার করেছেন। তাঁর এই দ্রুত শারীরিক উন্নতিতে চিকিৎসকরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে সম্পূর্ণ সুরক্ষার স্বার্থে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে আরও কিছুদিন আইসিইউর নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখা হতে পারে।

এদিকে, প্রেসক্লাব যশোর সভাপতির এই অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই যশোরের সর্বস্তরের সাংবাদিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ তাঁর অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিচ্ছেন। অনেকেই ঢাকার হাসপাতালে সশরীরে ছুটে গিয়ে তাঁর শয্যাপাশে দাঁড়িয়েছেন এবং পরিবারকে সাহস জুগিয়েছেন।

জনাব জাহিদ হাসান টুকুনের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর একমাত্র পুত্র সামিন তাঁর বাবার সম্পূর্ণ ও দ্রুত আরোগ্যের জন্য যশোরের সাংবাদিক সমাজসহ দেশবাসীর কাছে আন্তরিক দোয়া ও প্রার্থনা কামনা করেছেন। একই সাথে, এই কঠিন সময়ে যাঁরা সার্বক্ষণিকভাবে তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং হাসপাতালে ছুটে গিয়ে পরিবারকে সাহস জুগিয়েছেন, তাঁদের সকলের প্রতি গভীর ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে টুকুন পরিবার। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *