স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি (আবশ্যিক) প্রথম পত্র পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ৫৭২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। একই সঙ্গে পরীক্ষায় নকল অবলম্বনের দায়ে বোর্ডের আওতাধীন বিভিন্ন কেন্দ্রের ৩ জন পরীক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার অনুষ্ঠিত ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের ১০টি জেলায় সর্বমোট ১ লাখ ১২ হাজার ১৭৯ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত হয়ে অংশ নিয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৬০৭ জন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন কারণে পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত বা অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৫৭২ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের সুনির্দিষ্ট দায়ে যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা জেলার একজন করে মোট ৩ জন পরীক্ষার্থীকে চলমান পরীক্ষা থেকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়।
বোর্ডের দেওয়া জেলাভিত্তিক অনুপস্থিতির পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনুপস্থিতির দিক থেকে এবারও শীর্ষে রয়েছে ঝিনাইদহ জেলা এবং সবচেয়ে কম অনুপস্থিতি ছিল মেহেরপুরে। জেলাওয়ারী তথ্যানুযায়ী— যশোর জেলায় ৪৫২ জন, খুলনা জেলায় ৬০৮ জন, বাগেরহাটে ২৪৫ জন, সাতক্ষীরায় ৩৭৩ জন, কুষ্টিয়ায় ৩৯২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২৩৪ জন, মেহেরপুরে ১০৯ জন, নড়াইলে ১৪৬ জন, ঝিনাইদহে ৭৬৯ জন এবং মাগুরা জেলায় ২৪৪ জন পরীক্ষার্থী ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে বোর্ডের বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা চালু ছিল। প্রথম সারির প্রধান বিষয়গুলোর পরীক্ষা হওয়ায় কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল। আগামী পরীক্ষাগুলোও যেন কোনো প্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা যায়, সে জন্য শিক্ষা বোর্ড ও কেন্দ্র প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ফাইল ছবি সংগৃহীত।


