স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
ট্রেনের মধ্যে পরিচয়। এরপর আলাপের এক পর্যায়ে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার খোদ্দ বনগ্রামের দক্ষিণ অংশের ওয়াজেদ শেখের ছেলে সুজন হুসাইন ওরফে হোসেন (৪০)। পরে সরকারি চাকরি দেয়ার নাম করে সাড়ে চারলাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গত সোমবার (৪ মে) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নালিশি অভিযোগ দেয়া হয়। আর অভিযোগটি দিয়েছেন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া জগনাথপুর গ্রামের দিলীপ দাসের মেয়ে সবিতা দাস (৪২)।
বিচারক আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে তা তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কোতয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগে সবিতা দাস উল্লেখ করেছেন, গত বছরের ১১ মে ফরিদপুর থেকে ট্রেনযোগে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের মধ্যে পরিচয় হয় সুজনের সাথে। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন বলে জানান এবং মানিব্যাগ থেকে তার আইডি কার্ড দেখান। পরে প্রস্তাব দেন এইচএসসি পাশ হলেই চলবে। তিনি সবিতাকে ভগ্নি সম্বোধন করেন। এবং কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দিতে পারবেন বলে প্রস্তাব দেন। এর জন্য পাঁচ লাখ টাকা লাগবে বলে জানানো হয়।
তিনি সিঙ্গিয়া রেলস্টেশনের নামে এবং সুজনের সাথে তার বাড়িতে যান। ফলে তার বিশ্বাস স্থাপন হয়। পরে ফোনে একাধিকবার কথা হয়। তিনি তার ছেলে হৃদয় দাসের চাকরির জন্য সুজনকে বিভিন্ন সময়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেন। তিনমাসের মধ্যে চাকরি দিতে পারবেন বলে জানান। এরপর বিভিন্ন সময় ঘুরাতে থাকেন। কিন্তু চাকরি দিতে পারেন না। টাকাও ফেরৎ দেন না। ফলে তিনি গত ৩০ এপ্রিল সুজনের বাড়িতে যান। সেখানে টাকা নেয়ার ঘটনা স্বীকার করে। কিন্তু টাকা ফেরৎ না দিয়ে তিনি চলে যান। ফলে টাকা উদ্ধারে ব্যার্থ হয়ে তিনি আদালতে নালিশ দেন। ফাইল ছবি।

