স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় আমূল পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ১৯৮টিতে এগিয়ে থেকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে রয়েছে, বিপরীতে তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮৯টি আসনে সীমাবদ্ধ। এই বিশাল ব্যবধানে জয়ের ইঙ্গিত আসায় এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী?
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার কোনো সন্তানই হবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সেই বার্তার পর থেকেই সম্ভাব্য কয়েকজন নেতার নাম রাজনৈতিক মহলে জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে:
-
শুভেন্দু অধিকারী: মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে সবচেয়ে শক্তিশালী নাম হিসেবে তাকেই বিবেচনা করা হচ্ছে। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা শুভেন্দুর রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বিশাল জনভিত্তি। মেদিনীপুরের এই নেতা মুখ্যমন্ত্রী হলে তা হবে রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস।
-
সমীক ভট্টাচার্য: আরএসএসের আদর্শে বেড়ে ওঠা বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্যও রয়েছেন সম্ভাব্য তালিকায়। গত কয়েক বছরে রাজ্যের প্রতিটি কোণায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন।
-
দিলীপ ঘোষ: প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি হিসেবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে লড়াই গড়ে তোলার কারিগর হিসেবে পরিচিত দিলীপ ঘোষের নামও গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে।
-
নিশীথ প্রামাণিক: উত্তরবঙ্গের কোচবিহারসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বিজেপির শক্ত ভিত্তি তৈরির নেপথ্যে থাকা নিশীথ প্রামাণিকও মুখ্যমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার হতে পারেন।
-
অগ্নিমিত্রা পাল ও রূপা গঙ্গোপাধ্যায়: নারী নেতৃত্বের প্রশ্নে আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল এবং রূপালী পর্দার জনপ্রিয় মুখ ও প্রাক্তন সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও জল্পনায় রয়েছে। বিশেষ করে শহুরে ভোটারদের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা চোখে পড়ার মতো।
যদিও চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগে বিজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে কারো নাম প্রকাশ করেনি, তবে বিশ্লেষকদের মতে, ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই ঠিক করবেন কার হাতে উঠবে বাংলার শাসনের চাবিকাঠি।
সূত্র-আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা
ফাইল ছবি সংগৃহীত।


