স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় প্রবাসফেরত আপন ভাতিজার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের জের ধরে তাঁর স্পর্শকাতর অঙ্গ (পুরুষাঙ্গ) কেটে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেসমিন আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে।
ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় ভুক্তভোগী যুবক জুয়েলকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের মজ্জাদপাড়ার বাদশা মিয়া বেপারী বাড়ির বাসিন্দা কামাল হোসেনের ছেলে জুয়েল দীর্ঘ ১১ বছর ওমানে কর্মরত ছিলেন। গত এক মাস আগে তিনি দেশে ফেরেন। প্রবাসে থাকাকালে জুয়েলের নিজস্ব ফোন নষ্ট থাকায় তিনি চাচি জেসমিন আক্তারের ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলতেন। সেই সূত্র ধরেই চাচি-ভাতিজার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও পরকীয়া গড়ে ওঠে।
সম্প্রতি দেশে ফেরার পর দুইজনের গোপনে যোগাযোগ আরও বেড়ে যায়। তবে এরই মাঝে পরিবার থেকে জুয়েলের বিয়ের পাত্রী দেখা শুরু হলে বেঁকে বসেন চাচি জেসমিন। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে জুয়েল চাচির ঘরে গেলে সেখানে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জুয়েলের পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়ে সটকে পড়েন জেসমিন।
ঘটনার পর স্বজনেরা জুয়েলকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে চিকিৎসকেরা তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের একজন সদস্য থানায় এসে মৌখিকভাবে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তবে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হলেও তারা পরবর্তীতে থানায় লিখিত জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে অভিযুক্ত জেসমিন আক্তারের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ছবি সংগৃহীত।


