স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মামলার প্রধান আসামি বাসেদ আলী পরশ (নিহতের জামাতা) জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৫ মে) প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩ জানুয়ারি বিকেলে শংকরপুরের ইসহাক সড়কে নিজ বাসার সামনে আলমগীর হোসেনকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। আলমগীর হোসেন নগর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র চার মাসের মাথায় ২৮ এপ্রিল উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে ৩০ এপ্রিল কারাগার থেকে মুক্তি পান প্রধান আসামি বাসেদ আলী পরশ।
নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম অভিযোগ করেন, আসামি নিজে আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকায় এবং তার বাবা আইনজীবী ও সাবেক জনপ্রতিনিধি হওয়ায় আইনি সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত জামিন পেয়েছেন। তিনি আরও জানান, আসামিরা কারাগারে থাকাকালীনও হুমকি দিত এবং বর্তমানে জামিনে বেরিয়ে নানা লোক মারফতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এতে নিহতের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মেয়ে ইলারা খাতুন রাত্রিসহ পরিবারের অন্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত নিরাপত্তা ও সঠিক বিচার দাবি করেছেন। ছবি সংগৃহীত।


