যশোরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!

যশোরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!

বেনাপোল প্রতিনিধি, যশোর :

যশোরের শার্শা উপজেলায় গভীর রাতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ছোট বসন্তপুর গ্রামে ঘটে যাওয়া এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ইতিমধ্যেই ভুক্তভোগী পরিবার পাঁচজনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তৎপরতা চালিয়ে এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। আজ সোমবার দুপুরে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের বাসিন্দা হাসিব আল হাসান এবং ছোট বসন্তপুর গ্রামের দুই যুবক আব্দুর রহমান ইমন ও মেহেদি হাসান টুটুল। এই মামলার অন্য দুই অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ইমন ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানানো হয়।

মামলার বিবরণী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুন দিবাগত গভীর রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ ঘরের বাইরে বের হলে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল যুবক তার গতি রোধ করে। অভিযুক্তরা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও মুখ চেপে ধরে নির্জন একটি স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে যুবকেরা ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে অবর্ণনীয় নির্যাতন ও দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাশবিক নির্যাতনের শিকার ওই নারী পরবর্তীতে বিষয়টি তার পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান। পরিবারের পরামর্শে তিনি শার্শা থানায় গিয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত মামলাটি নথিভুক্ত করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে পাকড়াও করে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে এবং পলাতক আসামিদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে পুলিশ প্রশাসন। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *