বস্তাবন্দি লাশের ডিএনএ টেস্টে মিলল পরিচয়

বস্তাবন্দি লাশের ডিএনএ টেস্টে মিলল পরিচয়

স্ফুলিঙ্গ  রিপোর্ট :

যশোরের অভয়নগরের আলোচিত শফিকুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ প্রায় এক বছর তদন্তের পর হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি দ্বীন ইসলাম শেখ আদালতে শফিকুলকে হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

খুলনা পিবিআই সূত্রে জানা গেছে,২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট খুলনার লবণচরা থানার পুটিমারি এলাকায় কাজীবাছা নদী থেকে একটি অজ্ঞাতনামা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। মরদেহটি পচে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় শুরুতে পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মরদেহটি যশোরের অভয়নগর উপজেলার পোতপাড়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে শফিকুল ইসলামের (৫৪)।

হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জানা যায়, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শফিকুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। হত্যার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশ বস্তাবন্দি করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বরিশাল মহানগরের এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে দ্বীন ইসলাম শেখকে গ্রেফতার করা হয়। দ্বীন ইসলাম অভয়নগর উপজেলার ভূগিলহাট গ্রামের আব্দুর রহিম শেখের ছেলে।

গ্রেফতারের পর আসামিকে খুলনার আদালতে হাজির করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয় বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

খুলনা পিবিআই কর্মকর্তা এসআই রেজওয়ান জানিয়েছেন,এই হত্যাকাণ্ডে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *