স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে বিএনপি নেতার সঙ্গে হাতাহাতিতে লিপ্ত হওয়া সেই নারীকে নিয়ে তৈরি হওয়া রহস্যের জট খুলেছে। গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁকে ‘কলেজ শিক্ষিকা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হলেও, সরকারি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভিন্ন তথ্য। আলেয়া খাতুন হীরা নামের ওই নারী আসলে শিক্ষক নন, বরং তিনি কলেজের একজন ‘ল্যাব প্রদর্শক’ (এমপিও ডেমোনেস্ট্রেটর)।
গত বৃহস্পতিবার দাওকান্দি কলেজে এক স্থানীয় বিএনপি নেতার সঙ্গে হাতাহাতির ভিডিও ভাইরাল হলে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে একজন নারীকে মারমুখী ভঙ্গিতে প্রতিবাদ করতে দেখে সবাই তাঁকে কলেজের শিক্ষক বলে ধরে নেন। তবে রোববার (২৬ এপ্রিল) কলেজ পরিদর্শন শেষে রাজশাহী আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান স্পষ্ট জানিয়েছেন, হীরা শিক্ষক নন। তিনি ল্যাবরেটরির কারিগরি কাজের জন্য নিয়োজিত প্রদর্শক মাত্র।
একজন সরকারি পর্যায়ের কর্মচারী হয়ে এমন প্রকাশ্য গোলযোগে লিপ্ত হওয়াকে চরম শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ। পরিচালক আছাদুজ্জামান জানান, তদন্তের স্বার্থে আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ঘটনার পর কলেজের অধ্যক্ষ এবং ওই প্রদর্শকের কাছে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দোষীদের নাম উঠে আসবে। মাউশি (MAUSHI) জানিয়েছে, সরকারি নিয়মের বাইরে কোনো ধরণের অকর্মকর্তাসুলভ আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। ফাইল ছবি।


