নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ী | ২৬ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মায় তলিয়ে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের সেই বাসের চালক আরমান খানের (৩১) নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আরমান রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিমখালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) তার পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বড় বিতর্কের অবসান ঘটলো। দুর্ঘটনার পর থেকে অনেকেই দাবি করছিলেন যে, দুর্ঘটনার সময় বাসের চালক আরমান নিচে নেমেছিলেন এবং হেলপার বাসটি চালাচ্ছিলেন। তবে চালকের মরদেহ উদ্ধারের পর এই দাবিকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে আরমানের পরিবার ও বাস স্টাফরা।
নিহত আরমানের ফুপাতো ভাই জানান, আরমান নিজেই বাসটি চালাচ্ছিলেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “ফেসবুকে অনেকেই গুজব ছড়িয়েছেন যে আরমান পান খাওয়ার জন্য বাস থেকে নেমেছিলেন আর হেলপার বাসটি চালাচ্ছিলেন। কিন্তু যদি সে নেমে যেত, তবে আজ পদ্মার নিচ থেকে কেন তার মরদেহ পাওয়া যেত?”
সৌহার্দ্য পরিবহনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকর্মী জানান, আরমান একজন পেশাদার চালক ছিলেন এবং তার বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। গতকালের ভয়াবহ দুর্ঘটনার সময় তিনি নিজেই স্টিয়ারিংয়ে ছিলেন। বাসটি পদ্মার গভীর থেকে তোলার পাশাপাশি নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে এখনো ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের তৎপরতা চলছে।
ছবি-সংগৃহীত


