স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট : যশোরের আলোচিত ওষুধ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমকে অপহরণের ঘটনাটি আসলে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ছিল না, বরং পাওনাদারের চাপ থেকে বাঁচতে এটি ছিল তার সাজানো একটি নাটক। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের কাছে বিভিন্ন পাওনাদারের প্রায় ৪৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। এই বিশাল অংকের টাকার চাপ সইতে না পেরে নিজেকে রক্ষা করতে তিনি আত্মগোপনের পথ বেছে নেন। পরবর্তীতে বিষয়টি অপহরণ হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবির নাটক সাজানো হয়। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও জাহাঙ্গীর আলম এই বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ রাতে শহরের শংকরপুর এলাকা থেকে বাড়িতে ফেরার পথে জাহাঙ্গীর আলম মোটরসাইকেলসহ নিখোঁজ হন। তার পরিবার অভিযোগ করেছিল যে, সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। এই ঘটনায় তার স্ত্রী কোতয়ালি থানায় মামলাও করেন। দীর্ঘ ৯ দিন পর গত ১১ মার্চ রাতে র্যাব সদস্যরা তাকে চৌগাছা এলাকা থেকে উদ্ধার করেন। তবে উদ্ধারের পর তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল সত্য।
ছবি- জাহাঙ্গীর আলম (সংগৃহীত)


