স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
শামীমা আক্তার (৪৫) তিন সন্তানের জননী। বড় মেয়ে বিয়ে হয়েছে কয়েক বছর হলো। দুই ছেলে সন্তান নিয়ে পিতার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। শামীমার কোন খোঁজ রাখেন না স্বামী। গৃহপরিচারিকার কাজ করে সন্তান ও তার মুখের খাবার জোগাড় করেন তিনি। অভাবে দিন পার হয়ে অনেক কষ্টে। বুধবার সকালে ব্র্যাক আলট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামের আওতায় যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া শাখার পক্ষ থেকে শামীমা আক্তারের হাতে বিনামূল্যে গরুর বাছুর তুলে দেন জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সিদ্দিকুর রহমান।
বাছুর গরুটি হৃষ্টপুষ্ট করে বিক্রির পর সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দেখছেন শামীমা। তিনি বলেন, আমার দুটি সন্তানের মত গরুটি পালন করবো। গরু বিক্রি করে সন্তানের ভবিষত হবে। খুবই কষ্টের মধ্যে আছি। গরু পেয়ে আমার খুবই উপকার হলো।
গরুর বাছুর বিতরণকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক আলট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামের আওতায় যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া শাখার ব্যবস্থাপক ফাতেমা খাতুন, ব্র্যাকের এগ্রিকালচার এন্ড ইনকাম জেনারেশন প্রকল্পের যশোর আঞ্চলিক অফিসের সিনিয়র অফিসার রাশেদুল ইসলাম, ব্র্যাক আলট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামের আওতায় যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া শাখার পিও কনিকা মণ্ডল, লিংকন দাস ও খুরশিদ আলম।
ব্র্যাক আলট্রা পুওর গ্র্যাজুয়েশন প্রোগ্রামের আওতায় যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া শাখার ব্যবস্থাপক ফাতেমা খাতুন জানান,এবছর বসুন্দিয়া শাখায় বিনামূল্যে ৫০ জনকে গরু-ছাগল এবং ব্র্যাক সহায়তার মাধ্যমে ২৫০ জনকে উপকরণ হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নারীদের গবাদি পশু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। বুধবার গবাদি পশু পালন প্রশিক্ষণে অংশ নেন ৩০জন নারী। ছবি সংগৃহীত।

