স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত স্বপ্ন আর একগুচ্ছ দাবি এবার প্রধানমন্ত্রীর দুয়ারে পৌঁছে দিতে রাজপথে নেমেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যশোর আগমনকে কেন্দ্র করে যশোরের অবহেলিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বেগবান করার লক্ষ্যে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার শহরের প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে যশোরের ১২টি প্রধান উন্নয়নমূলক দাবি পেশ করা হয়।

যশোরের রূপরেখায় যে ১২টি দাবি:
মানববন্ধন থেকে যশোরের সার্বিক চেহারা বদলে দিতে ১২ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে:
১. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: যশোর বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা।
২. ৬ লেনের মহাসড়ক: বেনাপোল-যশোর মহাসড়ক ৬ লেনে প্রশস্তকরণ।
৩. আধুনিক রেল: আধুনিক রেল যোগাযোগ ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ।
৪. ক্রিকেট স্টেডিয়াম: যশোরে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ।
৫. আধুনিক টার্মিনাল: শহরের যানজট নিরসনে আধুনিক ও পরিকল্পিত বাস টার্মিনাল স্থাপন।
৬. শিল্প ও পর্যটন: এই অঞ্চলে শিল্পায়ন ও পর্যটন খাতের আধুনিকায়ন।
৭. নিরাপদ আবাসন: কর্মজীবী নারীদের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ আবাসন সুবিধা।
৮. শিক্ষা ও বিনোদন: শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বমানের শিক্ষা ও বিনোদন পার্ক নির্মাণ।
৯. পশুপাখি সংরক্ষণ: যশোরের ঐতিহ্যবাহী বিরল প্রজাতির পশুপাখি রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা।
(বাকি ৩টি দাবির মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন ও আইসিটি পার্কের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবিও উঠে আসে)।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এ্যাডভোকেট আবু মুরাদ, মো: নুরুজ্জামান, মতিউর রহমান চাকলাদার এবং কর আইনজীবী নাহিদ সালমা আক্তারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তাঁরা বলেন, “যশোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হওয়া সত্ত্বেও উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর যশোরবাসীর জন্য আশীর্বাদ হতে পারে যদি এই ১২ দফা দাবি পূরণ করা হয়।”
সচেতন নাগরিকদের এই কর্মসূচি থেকে জানানো হয়, যশোরকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট জেলায় রূপান্তর করতে এই দাবিগুলো বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তাঁরা আশা করেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই যশোরের উন্নয়নের এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। ছবি সংগৃহীত।

