স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে রিকশায় থাকা অবস্থায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় তরুণী মৌমিতা হালদার (২৫) নিহতের ঘটনায় অবশেষে মূল হোতা ঘাতক চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর হাদিস পার্ক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করে খুলনা সদর থানা পুলিশ।
গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় মৌমিতা হালদার তার পিতা তরুণ কান্তি হালদারের সঙ্গে রিকশাযোগে যাওয়ার সময় জেলা পরিষদের সামনে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন। পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার রিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে মৌমিতা ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ওই রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৌমিতা নিহতের ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশেপাশের বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে ঘাতক প্রাইভেটকারটি শনাক্ত করে। গত ৩ এপ্রিল করোনেশন স্কুলের পেছনে জনৈক কাজী আমিনুল হকের বাড়ির গ্যারেজ থেকে লুকানো অবস্থায় প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়।
গাড়ি উদ্ধারের পর চালককে শনাক্ত করে ৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে মোঃ আহাদ শেখ সৈকত (২৬)-কে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সৈকত পশ্চিম হাসপাতাল রোড স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার মৃত ফিরোজ শেখের ছেলে। বর্তমানে সে টুটপাড়া মহির বাড়ি বড় খালপাড় এলাকায় বসবাস করছিল।
খুলনা সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামী সৈকতকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ধরনের বেপরোয়া গাড়ি চালকদের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
ছবি-সংগৃহীত


