স্ফুলিঙ্গ ডেক্স : ২৬ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ সাত পুলিশ সদস্যকে মারধরের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে থানার ভেতরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এই হামলায় আহত পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খানসহ সাতজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পলাশবাড়ী কালিবাড়ী হাটের একটি সরকারি দোকানের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশ একদল যুবককে নিয়ে থানায় আসেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই বিতর্কিত দোকানে তালা দেওয়ার জন্য ওসিকে চাপ দেন। ওসি সরোয়ার আলম খান তদন্ত ছাড়া আইনি পদক্ষেপ নিতে অস্বীকৃতি জানালে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
ওসির অসম্মতিতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই যুবকেরা তার ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে ওসিকে মারধর শুরু করলে অন্য পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে এগিয়ে আসেন। এতে ওসিসহ এএসআই রুহুল আমিন, রাসেল ও ছানোয়ারসহ মোট ৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। বর্তমানে ৩-৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনায় মাহমুদুল হাসান পলাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামে একজনকে আটক করেছে। গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী জানান, জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুব জামায়াত নেতা পলাশ। তার দাবি, পুলিশই আগে তাদের ওপর চড়াও হয়েছে এবং এতে তাদের দুজন কর্মী আহত হয়েছেন। উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফাইল-ছবি


