স্ফুলিঙ্গ ডেক্স : ২০ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের রেষারেষিতে বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া যাত্রী মিরাজ ফকিরের (৫০) সন্ধান গত ৪৮ ঘণ্টাতেও মেলেনি। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মিরাজের ছেলে সোহেল ফকির (২২) প্রাণ হারিয়েছেন এবং তার পুত্রবধূ রুবা ফকির (২০) গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে মিডফোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় নিহত সোহেলের চাচা সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ ও ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চের ৫ জন স্টাফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বুধবার বিকেলে ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চটি যখন সদরঘাটে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তুলছিল, ঠিক তখনই পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয় ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ নামের আরেকটি লঞ্চ। দুই লঞ্চের এই সংঘর্ষের মাঝে পড়ে পিষ্ট হন অপেক্ষমাণ যাত্রীরা। এসময় রুবা ফকির ও তার শ্বশুর মিরাজ ফকির নদীতে ছিটকে পড়েন। রুবা উদ্ধার হলেও মিরাজ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা জানান, ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের ডুবুরি দল নিখোঁজ মিরাজকে উদ্ধারে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ছবি-সংগৃহীত


