স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট : নেশার টাকার জন্য বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার চুরি করার অভিযোগ উঠছে জামাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জামাই ও তার পিতাকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) রাতে নেত্রকোনার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোডের তাদের ভাড়া বাসা থেকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা সদরের মধ্যবাজার এলাকার বাসিন্দা বরুণ চন্দ্র কর্মকার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২) প্রায় দেড়বছর আগে মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিচ্ছন্নকর্মী ও পৌরসভার বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়েকে বিয়ে করে। বিয়ের দুই মাস পরেই তরুণ তার স্ত্রী ও বাবাকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ির এলাকাএ মদনে চলে আসে এবং শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোড এলাকায় অনু মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।
জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য তরুণ ও তার বাবা বরুণ মিলে শ্বশুর অমূল্যর বাসা থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার চুরি করে। এরপর আবারও রোববার রাতে পুনরায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের ঘরে স্বর্ণালংকার আনতে গেলে ধরা পড়ে যায় এলাকাবাসীর হাতে। এলাকাবাসী তাদের আটক করে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। তারা স্বর্ণালংকার নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বাবা-ছেলেকে স্থানীয় মানুষেরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং তারা নেশার টাকা জোগাতে চুরি করেছে বলে স্বীকার করেন।
শশুর অমূল্য চন্দ্র দাস জানান, আমার মেয়ের জামাই ও তার বাবা দুজনই মাদক সেবী । আমি আগে ভালো করে খোঁজখবর না নিয়ে মেয়ের বিয়া দিয়ে চরম ভুল করেছি। চুরি করার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।


