র‍্যাবের উপর হামলা : কর্মকর্তাসহ আহত ১০ : গাড়িতে আগুন

র‍্যাবের উপর হামলা : কর্মকর্তাসহ আহত ১০ : গাড়িতে আগুন

স্ফুলিঙ্গ ডেক্স : মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার কবলে পড়েছে র‌্যাবের সদস্যরা। এ হামলায় র‌্যাবের প্রায় ১০জন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায়। এ ঘটনায় শীর্ষ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সুত্রে জানাগেছে,নাজিরপাড়া ফুটবল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিলে সেখানে উপস্থিত সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ফরিদ আলমকে র‌্যাব সদস্যরা আটক করে। এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং কিছু লোক র‌্যাবের ওপর হামলা চালায় ও মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

র‌্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি-১ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা বিষয়টি সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান, নাজিরপাড়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা র‌্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং র‌্যাবের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তিনি নিজেসহ ৮ থেকে ১০জন সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘটনা স্বীকার করে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, র‌্যাবের অভিযানের সময় ওই এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। র‌্যাব অভিযোগ দিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে আটক ফরিদ আলমের বাবা মো. সিদ্দিক জানান, র‍্যাব আমাদের উপর আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।। তারা আমাদের ইফতার মাহফিলে সময় সাদা পোশাক ১০-১৫ র‌্যাবের সদস্য কোন কথা ছাড়া আমাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় স্থানীয় জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে চিৎকার শুরু করে। আমরা কোন গাড়িতে আগুন দেয়নি।

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিহিংসার কারণে ছেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়েছিল। আর সেই মামলায় জামিনে রয়েছে, কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছিল না। কিন্তু আমাদের হয়রানি করতে এ ধরনের ঘটনা সৃষ্টি করেছে। আমরা এঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি করছি।

ছবি সংগৃহীত

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *