নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদ মানেই আনন্দ, আর শিশুদের কাছে সেই আনন্দ শুরু হয় নতুন পোশাকের হাত ধরে। তাই রমজানের অর্ধেক পার হতেই যশোরের বিপণীবিতান গুলোতে ভিড় বাড়ছে ক্ষুদে ক্রেতাদের। ঝিনাইদহ-মাগুরাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকেও অনেকে আসছেন পছন্দের পোশাকটি বেছে নিতে। বরাবরের মতো এবারও বড়দের তুলনায় শিশুদের কেনাকাটাই শুরু হয়েছে সবার আগে।
এবারের ঈদে মেয়ে শিশুদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ‘ফার্সি’ ড্রেস। চওড়া ঘেরের সালোয়ার, হাঁটু পর্যন্ত কামিজ আর ওড়নার এই সেটটি এখন তুঙ্গে। এছাড়া লেহেঙ্গা, সারারা ও গারারার চাহিদাও চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, ছেলে শিশুদের জন্য পাঞ্জাবী, জিন্স প্যান্ট এবং বাহারি গেঞ্জিই প্রধান র্আকর্ষণ।
এবারে যশোরের বিভিন্ন মার্কেটে পোশাকের ধরনে যেমন বৈচিত্র্য আছে, দামেও রয়েছে ভিন্নতা। আমদানিকৃত এবং দেশি ফ্যাশন হাউজের পোশাকের দামও বেশ চড়া।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম কিছুটা বেশি।
বিক্রেতারা জানান, বেচাকেনা ভালোই চলছে, তবে বেতন-বোনাস হওয়ার পর ভিড় আরও বাড়বে। বিক্রেতারা আরো বলেন,এখন মূলত শিশুদের পোশাকই বিক্রি হচ্ছে বেশী। বড়দের বাজার জমতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।
বর্তমানে দোকানগুলো সকাল ৯:৩০ থেকে রাত ১১:০০ পর্যন্ত খোলা থাকছে। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, কেনাকাটার সময়সীমা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

জমে উঠেছে ঈদের বাজার
Posted inBlog

