স্ফুলিঙ্গ ডেক্স : রাজধানীর উত্তরায় গত রাত থেকে শুরু হওয়া তীব্র সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একজন রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ১১ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার শপিং মল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন এলাকাগুলোতে।
উত্তেজিত রিকশাচালকদের দাবি, শপিং মলের নিরাপত্তা প্রহরীরা তাদের এক সহকর্মীকে নৃশংসভাবে মারধর করে প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে কয়েকশ চালক একত্রিত হয়ে প্রথমে ওই শপিং মলে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং পরবর্তীতে উত্তরা পশ্চিম থানায় চড়াও হয়।
বিক্ষুব্ধরা থানার সামনে রাখা একাধিক যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিলে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করলে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে গভীর রাত পর্যন্ত।
আজ সোমবার সকালেও এর প্রভাব পড়েছে উত্তরার জনজীবনে; রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও টঙ্গীমুখী সড়কগুলো অবরোধ করে বিক্ষোভ করায় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে, যাতে সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন চরম বিপাকে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, নিহতের প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। চালকদের আল্টিমেটাম এবং পুলিশের তদন্ত—উভয় দিক নিয়ে উত্তরার পরিস্থিতি এখন চরম উত্তপ্ত।
ছবি-সংগৃহীত


