স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর পৌরসভার হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত ৬নং ওয়ার্ড। যেখানে রাজনীতি, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। গুরুত্বপূর্ণ এই ওয়ার্ডটির সেবা ও উন্নয়নের দায়িত্ব নিতে এবার জনমতের শীর্ষে উঠে এসেছেন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ফকরুল বিশ্বাস। রাজপথের পরীক্ষিত এই সৈনিক এবার কাউন্সিলর হিসেবে ওয়ার্ডবাসীর ভাগ্য বদলের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছেন।
ষষ্ঠীতলা পিটিআই রোডের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া ফকরুল বিশ্বাস ছোটবেলা থেকেই পরোপকারী হিসেবে পরিচিত। পিতা মৃত আবু আনসার ও মাতা আছমা বেগমের আদর্শে বেড়ে ওঠা ফকরুল ছাত্রজীবন থেকেই ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার। জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন বলিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তিনি অসংখ্যবার জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, কিন্তু মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই থেকে পিছিয়ে যাননি। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসায়িক অঙ্গনেও তিনি সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
১২টি মহল্লা ও সাড়ে ১২ হাজার ভোটারের এই ৬নং ওয়ার্ডটি যশোরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু। এখানে অবস্থিত প্রেসক্লাব যশোর থেকে শুরু করে বড় বড় সরকারি দপ্তর। ফকরুল বিশ্বাসের মতে, এই ওয়ার্ডের গুরুত্ব যেমন বেশি, তেমনি নাগরিক সমস্যার সমাধানও হওয়া উচিত আধুনিক ও ডিজিটাল। তিনি নির্বাচিত হলে জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন।
৬নং ওয়ার্ডের অলিতে-গলিতে কান পাতলেই শোনা যায় ফকরুল বিশ্বাসের উদারতার কথা। উপশহর ডিগ্রি কলেজ ও পিটিআই জামে মসজিদের উন্নয়নসহ শিক্ষা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদান সর্বজনস্বীকৃত। বিপদে-আপদে ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ভুলে যিনি সাধারণ মানুষের দুয়ারে ছুটে যান, সেই ফকরুল বিশ্বাসকেই এবার কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।
ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের মতে, তাদের এমন একজন অভিভাবক প্রয়োজন যিনি শুধু ভোটের সময় নয়, সারা বছর সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন। ফকরুল বিশ্বাস সেই আস্থার প্রতিচ্ছবি হয়েই নিরলস গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার নির্বাচনী প্রচারণায় এখন মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই বলে দিচ্ছে, আগামী দিনের ৬নং ওয়ার্ডের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের সুর বাজছে।


