রফিক মন্ডল, কোটচাঁদপুরঃ
সবাই যখন আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপনে মাতোয়ারা, তখন ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলুহর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী সমাজ কল্যাণ পাড়ার ইনতাজুল ইসলামের (৪৬) চোখে কেবলই অশ্রু। এক সময় যিনি মানুষের সুখে-দুখে পাশে দাঁড়াতেন, আজ ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিনি নিজেই আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে এক অসহায় পঙ্গু জীবন অতিবাহিত করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইনতাজুল ইসলামের এখন মাথা গোঁজার সামান্য ভিটেবাড়িটুকু ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা আর পঙ্গুত্ব তাকে বিছানায় বন্দি করে ফেলেছে। এক সময়কার কর্মঠ এই মানুষটি আজ অন্যের সাহায্যের অপেক্ষায় ডুঁকরে কাঁদছেন। তাঁর এই করুণ আর্তনাদ যেন ফুলবাড়ী গ্রামের আকাশ-বাতাসকে ভারী করে তুলছে। চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে নিঃস্ব হওয়া ইনতাজুলের পরিবার এখন দিশেহারা।
দেশজুড়ে যখন উৎসবের আমেজ, তখন ইনতাজুলের ঘরে শুধুই অন্ধকার। নুন আনতে পান্তা ফুরানো এই সংসারে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের পঙ্গুত্বের দিকে চেয়ে ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া এখন আর কিছুই করার নেই তাঁর। এলাকাবাসী জানান, ইনতাজুল একজন সাদা মনের মানুষ ছিলেন, কিন্তু আজ তাঁর চরম দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো সামর্থ্যবান কাউকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ইনতাজুল কি তবে বিনাচিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মারা যাবেন? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সচেতন মহলে। কে আছেন এমন জনদরদী জনপ্রতিনিধি, দানবীর সমাজসেবক কিংবা জনবান্ধব প্রশাসক যিনি এই অসহায় মানুষটির পাশে দাঁড়াবেন?
একটি জীবন বাঁচাতে আপনার সামান্য সহানুভূতি কিংবা আর্থিক সহযোগিতা ইনতাজুলকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাতে পারে। আসুন, আমরা যে যার অবস্থান থেকে এই পঙ্গু মানুষটির সাহায্যে এগিয়ে আসি এবং তাঁর মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলি।
সহযোগিতা বা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
ইনতাজুলের পরিবার, গ্রাম: ফুলবাড়ী সমাজ কল্যাণ পাড়া, বলুহর ইউনিয়ন, কোটচাঁদপুর, ঝিনাইদহ।


