অপপ্রচারের জবাব আইনি পথে দিলেন তমাল ও রানা

অপপ্রচারের জবাব আইনি পথে দিলেন তমাল ও রানা

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

ব্যক্তিগত আক্রোশ আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের জেরে এবার আইনি লড়াইয়ে জড়ালেন যশোর জেলা যুবদলের শীর্ষ নেতারা। সংগঠনের দুই প্রধান অভিভাবক—আহ্বায়ক এ কে আজাদ তমাল ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানার মানহানি ও জীবননাশের হুমকির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন সাবেক প্রচার সম্পাদক এস্কেন্দার আলী জনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) যশোর কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া পৃথক দুটি মামলা এখন শহরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও দলীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতের মূলে রয়েছে শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তি। মাদকাসক্তি ও দলীয় শিষ্টাচার লঙ্ঘনের দায়ে জনিকে সংগঠন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই বহিষ্কারাদেশ সহজভাবে নেননি তিনি। অভিযোগ উঠেছে, সেই ক্ষোভ মেটাতেই জনি ও তার সহযোগীরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন।

মামলার বাদীদের দাবি, জনি তার নিজের এবং একাধিক বেনামী ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে দীর্ঘ পরিকল্পিতভাবে সাইবার বুলিং চালিয়ে আসছিলেন। গত ১ এপ্রিল সকালে একটি লাইভ ভিডিওতে তিনি নেতাদের চরিত্র হনন করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। শুধু অপপ্রচারই নয়, নেতাদের ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা এবং এমনকি সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও এজাহারে স্পষ্ট করা হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানিয়েছেন, মামলার সাথে ডিজিটাল অপরাধের পর্যাপ্ত আলামত (পেনড্রাইভ ও স্ক্রিনশট) জমা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এখন কারিগরি তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত এস্কেন্দার আলী জনি বর্তমানে ঢাকায় আত্মগোপনে থাকায় তাকে গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে।

ফাইল ছবি

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *